অবশেষে আমি বিরক্ত।
জামায়াতরে গালি দেই, কেননা উহা রাজাকার। উহা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি। উহারা ইসলামের মধ্যে নিজেদের খেয়াল খুশীমত পরিবর্তন ঘটায়। উহারা মাঝে মাঝে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর শান্তিপূর্ণ ভাবে ধংস করে। শান্তিপূর্ণভাবে পুলিশ পিটাইয়া রক্তাক্ত করে।
যখন ইসলাম সহ অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কে অকথ্য ভাষায় লেখালেখি করা হল, সরকারের পক্ষ থেকে সেসব লেখককে বীর আখ্যায়িত করা হল। গণজাগরণ মঞ্চের পশ্চাৎ দিয়ে প্রথম আইক্কাওয়ালা বাশটা তখনই মারা হল। ধর্ম বিদ্বেষীগুলোর পরিচয়ে পরিচিত হল শাহবাগ। ধর্মপ্রিয় মানুষের ধারণা হল, শাহবাগে যারা যায় সব নাস্তিক।
জনগণ ক্ষেপল, বিশেষত আলেম-হুজুররা ক্ষেপল। 'হেফাজতে ইসলাম' নাম নিয়ে আন্দোলন শুরু করল। তা ভাল কথা,
তাদের লক্ষ্য কি? ১৩ দফার মধ্যে মূল দাবি কি? ধর্ম বিদ্বেষী ব্লগারদের গ্রেফতার।
তারা কি যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে কথা বলে? না।
তারা কি ক্ষমতায় যাইতে চায়? না।
তারা কি জামায়াতের উপ্রে কে কখন হামলা চালাইছে তা নিয়া চিৎকুর পারে? না।
তাদের সাথে কোন রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক আছে? না।
তাইলে কার কার পশ্চাতে চুলকানীর ঠেলায় দাদ হইসে? জানতে মুঞ্চায়। হুদাকামে এই সম্মানিত আলেম সমাজের সাথে জামায়াতের মত দলের সামঞ্জস্যতা খুজতে পিছনে এত চুলকায় কেন?
আমরা আগে গালি দিসি জামাতরে, ভাল কথা। যৌক্তিক গালি। এখন আমরা যারা হেফাজতরে জামাত বানায়া ইহাকেও গালি দেই, তাহারা সত্যিই সাম্প্রদায়িক-ইসলাম বিদ্বেষী কি না? আমাদের এ সকল মানুষের পশ্চাতে কমপক্ষে সাড়ে বত্রিশ ইঞ্চি বাশ ভরা উচিত কিনা?
আজ ইসলামের বাশ দিতেসে, দুদিন পর সনাতন (হিন্দু) ধর্মরে দিবে, তারপর খ্রিস্টানদের...। তোদেরকে 'জামায়াত' বলে গালি দিলাম।
পরিশেষে, আমরা কিছু মানুষ যারা গণজাগরণ মঞ্চ ভালবাসি পাশাপাশি ধর্ম ভালবাসি, তারা কি কোনকালে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে ধর্ম বিদ্বেষীদেরকে গ্রেফতারের জন্য আন্দোলন করেছি? আজ আলেম সমাজ আমাদের এ কাজ টুকু করে দিচ্ছে, তাদের তো ধন্যবাদ দেয়া উচিত।
----------------
লিখেছেন -------তরুন কান্তি।
জামায়াতরে গালি দেই, কেননা উহা রাজাকার। উহা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি। উহারা ইসলামের মধ্যে নিজেদের খেয়াল খুশীমত পরিবর্তন ঘটায়। উহারা মাঝে মাঝে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর শান্তিপূর্ণ ভাবে ধংস করে। শান্তিপূর্ণভাবে পুলিশ পিটাইয়া রক্তাক্ত করে।
যখন ইসলাম সহ অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কে অকথ্য ভাষায় লেখালেখি করা হল, সরকারের পক্ষ থেকে সেসব লেখককে বীর আখ্যায়িত করা হল। গণজাগরণ মঞ্চের পশ্চাৎ দিয়ে প্রথম আইক্কাওয়ালা বাশটা তখনই মারা হল। ধর্ম বিদ্বেষীগুলোর পরিচয়ে পরিচিত হল শাহবাগ। ধর্মপ্রিয় মানুষের ধারণা হল, শাহবাগে যারা যায় সব নাস্তিক।
জনগণ ক্ষেপল, বিশেষত আলেম-হুজুররা ক্ষেপল। 'হেফাজতে ইসলাম' নাম নিয়ে আন্দোলন শুরু করল। তা ভাল কথা,
তাদের লক্ষ্য কি? ১৩ দফার মধ্যে মূল দাবি কি? ধর্ম বিদ্বেষী ব্লগারদের গ্রেফতার।
তারা কি যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে কথা বলে? না।
তারা কি ক্ষমতায় যাইতে চায়? না।
তারা কি জামায়াতের উপ্রে কে কখন হামলা চালাইছে তা নিয়া চিৎকুর পারে? না।
তাদের সাথে কোন রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক আছে? না।
তাইলে কার কার পশ্চাতে চুলকানীর ঠেলায় দাদ হইসে? জানতে মুঞ্চায়। হুদাকামে এই সম্মানিত আলেম সমাজের সাথে জামায়াতের মত দলের সামঞ্জস্যতা খুজতে পিছনে এত চুলকায় কেন?
আমরা আগে গালি দিসি জামাতরে, ভাল কথা। যৌক্তিক গালি। এখন আমরা যারা হেফাজতরে জামাত বানায়া ইহাকেও গালি দেই, তাহারা সত্যিই সাম্প্রদায়িক-ইসলাম বিদ্বেষী কি না? আমাদের এ সকল মানুষের পশ্চাতে কমপক্ষে সাড়ে বত্রিশ ইঞ্চি বাশ ভরা উচিত কিনা?
আজ ইসলামের বাশ দিতেসে, দুদিন পর সনাতন (হিন্দু) ধর্মরে দিবে, তারপর খ্রিস্টানদের...। তোদেরকে 'জামায়াত' বলে গালি দিলাম।
পরিশেষে, আমরা কিছু মানুষ যারা গণজাগরণ মঞ্চ ভালবাসি পাশাপাশি ধর্ম ভালবাসি, তারা কি কোনকালে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে ধর্ম বিদ্বেষীদেরকে গ্রেফতারের জন্য আন্দোলন করেছি? আজ আলেম সমাজ আমাদের এ কাজ টুকু করে দিচ্ছে, তাদের তো ধন্যবাদ দেয়া উচিত।
----------------
লিখেছেন -------তরুন কান্তি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন